(بِسْمِ ٱللَّٰهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ) বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
রাকাব অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি ওয়েবসাইট এ সাগতম |

- প্রতিষ্ঠাকাল
- ২০০৬
- নিবন্ধিত সদস্য
- ৮৫
- জেলা কমিটি
- ১৬
- কার্যকরী বছর
- ১৯+
রাকাব অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি এর পদযাত্রা
অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ন্যায়সঙ্গত দাবী দাওয়ার কথা, জীবনের সোনালী মুহূর্তগুলো ব্যাংকের কাজে নিরলস পরিশ্রম করে বার্ধক্যকালে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার বিষযে় ব্যাংক ব্যবস্থাপনার সাথে আলোচনা করে আটকে থাকা পাওনা পরিশোধের জন্য আপত্তি নিষ্পত্তি করে অবসরপ্রাপ্তদের একটি অরাজনৈতিক ও কল্যাণধর্মী সংগঠনের তাগিদ থেকেই মরহুম আব্দুল মান্নান ভাই রাকাবের অবসরপ্রাপ্তদের জন্য কল্যাণ সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন। সংগঠিত হওয়ার প্রয়াস মানুষের স্বভাবজাত প্রবৃত্তি। এ প্রবৃত্তির অনুপ্রেরণার প্রাথমিক পর্যাযে় দিনাজপুর ও বগুড়া জোনে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ স্বউদ্যোগে জোনাল কমিটি নামে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি গঠন করেন। পরবর্তীতে এ কমিটিগুলির মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক সৃষ্টি এবং মতবিনিময় হয়।
এ পর্যাযে় দিনাজপুর জোন প্রথম উদ্যোগ নেন। তাঁরা একটি জোনাল কমিটি গঠন করেন। জনাব আলহাজ্ব মোঃ শওকত আলী, ডি.জি.এম স্যার ৩০/১২/১৯৯৮ ইং অবসরে যান। কমিটি গঠনে তিনি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন যা প্রশংসনীয়। মরহুম আব্দুল বারী স্যার উপমহাব্যবস্থাপক অবসরে গেলে তিনি বগুড়া জোনে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি গঠন করেন। দিনাজপুর ও বগুড়া জোন পরবর্তীকালে রংপুর জোনে সমিতি গঠনের জন্য তৎপরতা শুরু করে। ফলশ্রæতিতে ২০০২ সালের মে মাসে রংপুর জোনে সমিতি গঠন করা হয়। উল্লেখিত ৩টি জোন সমিতি গঠনের দিন থেকে তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়মাতান্ত্রিকভাবে পরিচালনা করেন। তাঁরা রাকাবের সমগ্র জোন এলাকায় সমিতির বিস্তৃতি ঘটানোর আপ্রাণ প্রচেষ্টা চালায়। এ বিষযে় প্রযে়াজনীয় ও প্রাথমিক উদ্যোগ গ্রহণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন জনাব মোঃ আব্দুল লতিফ, ডি.জি.এম. (অবঃ), সভাপতি, রংপুর জোনাল কমিটি এবং জনাব মোঃ আব্দুল মান্নান, উর্ধ্বতন মুখ্য কর্মকর্তা, সাধারণ সম্পাদক, রংপুর। ২০০৬ সালের ২৫ ফ্রেব্রæয়ারি রাকাব অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের একটি সমাবেশ অনুষ্ঠানের জন্য অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি, রংপুরে একটি সভা আহŸান করে। উক্ত সভায় দিনাজপুর ও বগুড়া জোন এর নেতৃবৃন্দকে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানালে তাঁরা উপস্থিত থাকেন।
পাতা-১
উক্ত সভায় অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য একটি প্রতিনিধিত্বশীল সংগঠন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি সমাবেশ অনুষ্ঠান করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৯ মে ২০০৬ তারিখে রংপুরে রাজা রামমোহন ক্লাব মিলনায়তনে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে রাকাবের প্রাক্তন ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোঃ আশরাফ আলী প্রধান অতিথি ও বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর মহাব্যবস্থাপক জনাব মোঃ হানিফ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক নামে একটি সংগঠন-প্রতিষ্ঠা লাভ করে। উক্ত সমাবেশে জনাব মোঃ ইয়াছিন আলী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অবঃ) মহোদয়কে উপদেষ্টা, জনাব মোঃ আব্দুল লতিফ, উপমহাব্যবস্থাপক (অবঃ), রংপুর কে সভাপতি এবং জনাব মোঃ আব্দুল মান্নান উর্ধ্বতন মুখ্য কর্মকর্তা, রংপুর মহোদয়কে সাধারণ সম্পাদক করে ২৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়। সমাবেশে জনাব মোঃ আব্দুল লতিফ, উপমহাব্যবস্থাপক (অবঃ) ও সভাপতি এবং জনাব মোঃ আব্দুল মান্নান, উর্ধ্বতন মুখ্য কর্মকর্তা (অবঃ) ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত সমিতির নামকরণ, এলাকা, প্রধান কার্যালয় কোথায় হবে ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়াদি উল্লেখ করে ২২ অনুচ্ছেদের একটি গঠনতন্ত্র অনুমোদন করা হয়।
মানুষ সামাজিক জীব। সৃষ্টিকাল থেকে সংগঠিত হওয়া মানুষের স্বভাবজাত ইচ্ছা। তবে বিভিন্ন সমযে় এর প্রকৃতি বিভিন্ন রুপ ছিল। বর্তমান সমযে় সংগঠন পরিচালনায় বিধিবদ্ধ ব্যবস্থা সৃষ্টি হযে়ছে। বিংশ শতাব্দীর পূর্বে তা ছিঁল না। বিংশ শতাব্দীর পঞ্চাশ দশকের পর এর বিস্তৃতি ব্যাপক প্রসার লাভ করতে থাকে। সংগঠন গড়ার আকাঙ্খা পেশা ও কর্মভিত্তিক পর্যাযে় বর্তমানে চরম উৎকর্ষ সাধন হযে়ছে। অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে সংগঠন গড়ার প্রবণতা বর্ণিত দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আসে। পাকিস্তান শাসনামলে পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবিপি) বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার আগ পর্যন্ত তেমন কোন প্রসার লাভ করতে পারে নাই। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালে রাষ্ট্রপতির ২৭নং অধ্যাদেশ অনুযায়ী অত্র ব্যাংকের নামকরণ করা হয় “বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক” বা বিকেবি। পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে রাজশাহী বিভাগের অন্তর্গত বিকেবির সকল শাখা ও কার্যালয় সমন্বযে় বিকেবি থেকে আলাদা করে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) অধ্যাদেশ জারী হয়। এ অধ্যাদেশের অধীনে এক প্রজ্ঞাপণের মাধ্যমে ১৫ মার্চ ১৯৮৭ সালে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (জঅকটই) আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে।
১৯৯০ খ্রি. সালের পর থেকে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ অবসর গ্রহন শুরু করেন। ২০০০ খ্রি. সালের পর থেকে এই সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে। অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ সকলেই বয়ষ্ক, তাঁরা অবসরে গেলেও ব্যাংক হতে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হযে় যায় না। তাঁরা সকলেই ব্যাংক থেকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ আর্থিক সুবিধা পেযে় থাকেন। এ সুবিধা প্রাপ্তিতে কিছু সমস্যা হওয়া বিচিত্র নয়। এক্ষেত্রে অবসরপ্রাপ্তদের সংগঠন প্রযে়াজনীয় ভূমিকা পালন করতে পারে।
দীর্ঘ চাকুরী জীবনে পরস্পরের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও বন্ধুত্ব সুলভ সম্পর্ক গডে় উঠে। অবসরের কারণে পরস্পরের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হযে় যায়। প্রত্যেক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজ নিজ এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করেন। এর ফলে পরস্পরের সাথে দেখা সাক্ষাৎ এর সুযোগ একেবারে কমে যায়। একটি সংগঠন এ অবস্থা থেকে মুক্তি প্রদানে সহায়তা দেয়। সংগঠনের কার্যক্রমের মাধ্যমে পরস্পরের সাথে সাক্ষাৎ ও মত বিনিমযে়র এক মুক্ত সুযোগ সৃষ্টি করে। সংগঠন একাকীত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি দেয়।
পাতা-২
অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বৃহত্তর স্বার্থ চিন্তা করে তাঁদের জন্য আদর্শ ও লক্ষ্যভিত্তিক অরাজনৈতিক ও কল্যাণধর্মী একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠার তাগিদ থেকেই সময় উপযোগী পদক্ষেপ নিযে় ১৯ মে ২০০৬ খ্রি. রংপুরে বিপুল সংখ্যক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীর উপস্থিতিতে সমাবেশের মাধ্যমে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি, রাকাব গঠন করেন জনাব মোঃ আব্দুল লতিফ, উপমহাব্যবস্থাপক (অবঃ) এবং জনাব মোঃ আব্দুল মান্নান, উর্ধ্বতন মুখ্য কর্মকর্তা (অবঃ)। তাঁরা দুজনই যথাক্রমে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি, রাকাব এর কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে জনাব মোঃ আশরাফ হোসেন, ডি.জি.এম (অবঃ), সভাপতি এবং জনাব এ.বি.সিদ্দিকী, ডি.জি.এম (অবঃ), সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দাযি়ত্ব গ্রহণ করেন। অতঃপর জনাব মোঃ সাজ্জামুল ইসলাম, জিএম (অবঃ), সভাপতি এবং জনাব এ.বি.সিদ্দিকী ডি.জি.এম. (অবঃ), সাধারণ সম্পাদক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি, রাকাব কেন্দ্রীয় কমিটির দাযি়ত্বপ্রাপ্ত হযে় সুন্দর ও সুচারুভাবে দাযি়ত্ব পালন করেন। সর্বশেষ ১৮/১১/২০২৪ খ্রি. তারিখে অনুষ্ঠিত সভা ও কাউন্সিলে কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়, যা অধ্যাবধি তাঁদের কার্যক্রম সাবলীলভাবে পরিচালনা করে আসছেন। এই কমিটিতে জনাব মোঃ রফিকুল আলম চৌধুরী, জি.এম. (অবঃ), সভাপতি ও জনাব মোঃ মাহাবুবুল আলম টুলু, ডি.জি.এম. (অবঃ), সাধারণ সম্পাদক।
সংগঠন প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক পর্যাযে় যারা সময় দিযে়ছেন এবং অদ্যাবধি দিযে় আসছেন, নিজের মেধা, শ্রম ও অর্থ ব্যয় করেছেন তাঁদের সবার প্রতি রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী যাঁরা মৃত্যুবরণ করেছেন, বিশেষ করে বগুড়ার মরহুম আব্দুল বারী স্যার, কেন্দ্রীয় কমিটির প্রথম সভাপতি মরহুম আব্দুল লতিফ স্যার, প্রথম সাধারন সম্পাদক মরহুম আব্দুল মান্নান ভাইসহ অন্য সবার রুহের মাগফেরাত কামনা করছি। আল্লাহ-তায়ালা তাঁদেরকে যেন জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করেন। আমিন। সেই সাথে সমিতির কার্যক্রম উত্তরোত্তর আরও গতিশীল ও সমৃদ্ধ হোক এই কামনা নিরন্তর।
পৃষ্ঠপোষক মণ্ডলী
উপদেষ্টা মণ্ডলী
কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি
বিদেশে স্থায়ীভাবে অবস্থানরত অবসরপ্রাপ্তগণ
অবসর পরবর্তী মৃত্যুবরণকারীগণ
জেলাওয়ারী অবসর কল্যাণ সমিতির কমিটি

মনোগ্রাম
সমিতির গঠনতন্ত্র
সমিতি পরিচালনার মূলনীতি ও বিধিবিধান নিচে উল্লেখ করা হলো।
অনুচ্ছেদ ১: নাম ও পরিচিতি
সংগঠনটি "রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি" নামে অভিহিত হবে, যা সংক্ষেপে "সমিতি" নামে পরিচিত।
অনুচ্ছেদ ২: উদ্দেশ্য
- অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
- সদস্যদের চিকিৎসা, আইনগত ও সামাজিক সমস্যায় সহায়তা প্রদান করা।
- প্রয়োজনে সদস্য বা তাঁর পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা করা।
- সরকারি ও ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে সদস্যদের ন্যায্য দাবি উপস্থাপন করা।
অনুচ্ছেদ ৩: সদস্যপদ
রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক থেকে অবসরপ্রাপ্ত যেকোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী নির্ধারিত ফরমে আবেদনের মাধ্যমে সমিতির সদস্যপদ লাভ করতে পারবেন। সদস্যপদ প্রধানত দুই প্রকার:
- সাধারণ সদস্য
- আজীবন সদস্য
অনুচ্ছেদ ৪: কার্যকরী পরিষদ
কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি প্রতি তিন বছর অন্তর সাধারণ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হবে এবং জেলা পর্যায়ে পৃথক কমিটি কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদনক্রমে গঠিত হবে।
অনুচ্ছেদ ৫: তহবিল
সদস্যদের চাঁদা, অনুদান ও অন্যান্য বৈধ উৎস থেকে প্রাপ্ত অর্থ দ্বারা সমিতির তহবিল গঠিত হবে, যা কোষাধ্যক্ষের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে।
রাকাব অবসর সরণিকা ২০২৫

রাকাব অবসর সরণিকা ২০২৫
- পৃষ্ঠা:
- ১৮৮
- প্রকাশকাল:
- ২০২৫ খ্রি
চিত্রে অবসর কল্যাণ সমিতির কার্যক্রম





















নোটিশ বোর্ড
- দেখুন
চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬
প্রকাশের তারিখ: ১৯-০৯-২০২৬